বিন্দু

সিন্ধুর মধ্যে বিন্দু বোধ হলো সচেতনতা আর বিন্দুর মধ্যে সিন্ধু বোধ হলো স্বচেতনতা আমাদের জন্ম এই সময় সিন্ধুর মধ্যে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আমরা আমাদের সচেতনতায় সিন্ধুর বিন্দুগুলির জ্ঞান বিন্দু কে জানতেই বা হাতড়াতেই কাটিয়ে দিই আর যত দখলে আসে ততই ম্বর বাড়তে থাকে আকাশ বাতাস "আমি সিন্ধু -আমি সিন্ধু -আমি সিন্ধু " নিনাদে ভরিয়ে ফেলি

পক্ষান্তরে যখনই বিন্দুর মধ্যে সিন্ধু দর্শন হয় তখন স্বচেতনতার আলোকে মানুষ মৌন হয়ে যায় , লজ্জিত হয় , সকলের মাঝে থেকেও আত্মগোপণ করে , অভিমুখ বিন্দু আরোপিত আচার কেন্দ্রীকতা হারিয়ে অন্য মাত্রা পায় ,ব্যক্তিত্বের পূর্ণাঙ্গ বিকাশ হয় , উজ্জলতা (নূর ) বৃদ্ধি পায় , যেন ধ্যান মগ্নতায়- আলাপনে বিভোর , ...... সচেতন সিন্ধুগামীরা আবার ব্যাখা করতে না পেরে / সব মানুষ কে বিন্দু বিমুখ, বিন্দু গামী থেকে বিরত রাখার জন্য স্বচেতনদের ভগবান(/মৌলবাদী) ভাবাতেই / ভাবতেই (conceptual crime) পারেনnasrujjaman 30 Jan 2015

শনিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৭

Transformational Responsibilities & Injustice

           Development উন্নয়ন সবসময় মানুষের কাছে কাঙ্খিত। পৃথিবীর আদিবাসীদের লক্ষ্য করলে দেখা যাবে বেশিরভাগ মানবজাতি উলঙ্গ বা অর্ধউলঙ্গ থাকতেন। স্থান গত এইসব প্রভাব ছাড়াও দলপতি বা বর্ণসমাজ যেখানে থাকতো ; সেখানে পোশাকের গুনগত বৈচিত্র ছাড়াও কুসংস্কারাচ্ছন্ন আঞ্চলিক রাজারা বিশ্বাসের যারা নেতৃত্ব দিতেন তাদের দমনেচ্ছুক আধিপত্য ভোগ বহাল রাখার উদ্দেশ্যে পোশাকে বিধি নিষেধ জারী করতেন। তাই  অনেক ভূখণ্ডে এরকম পাওয়া যায় যে, নারীর বক্ষ ঢাকার উপর  বিধি নিষেধ। না , ভয় পাবেন না!
বর্তমানে এরকম দমন, উম্মুক্ত সমাজ ব্যবস্থায় অকল্পনীয়।  একই রকম ভাবে এই সমস্ত ভূখণ্ডে মানুষের বিনোদন সারাদিনের পরিশ্রমের পরে যখন সে নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে আরাধনার চেষ্টা করতো, তখন সামাজিক বিধি নিষেধ  থাকতো।  মানুষের বর্ণ ভেদের কারণে ,তাকে তার পরমেশ্বরের /বানানেওয়ালার  আরাধনার সুযোগ দেওয়া হতোনা। মানুষকে ফাইল দাঁড়াতে হত।  দূরত্ব বজায় রাখতে হত। তাদের বিনোদন হোতনা , ফলে আলোকায়ন
হোতনা , তাদের আভ্যন্তরীন মানব /মানবীর মৃত্যু হত।  প্রতিষ্ঠা তো আরও বড়ো  পরের বিষয়। এই সমস্ত  মৃত  মানুষদের দাস বলা ভুল হবে কারণ দাসদের বোধ  থাকতো যে ,তারা দাসত্ব করছেন।  এরা এইরকম ভবিতব্যে জন্মাতো আবার
মারা যেত। ......................................................... যখন উন্নত জীবন শৈলীর সংস্পর্শে   এসে মানুষ জানলো তার গায়ের বর্ণের , জন্মগত কারণ সব কাল্পনিক ;  পরমেশ্বরের / বানানেওয়ালার আরাধনা এক সঙ্গেই করা সম্ভব। ঘন্টার পর ঘন্টা ফাইলে
দাঁড়ানোর কোনো প্রয়োজন নেই।  তখন মানুষ তাদের   উপাসনালয় পাল্টে ফেললেন। নারী উপলব্ধিতে আসলো তার বক্ষ দেশ ঢাকার /পর্দা করার অধিকার তার আছে। .....................................................................................................................................
...................................ক্রমশঃ ছাপাখানা ,স্কুল গুলো আসলো,পত্রিকা , মিডিয়া।
 আজকের জন্ম নেওয়া শিশুর ভবিতব্য আরও ভয়ানক।  এখানে মিডিয়া ব্যাপক সমন্বয়ের কাজ করলেও সমগ্র মানবজাতির কাছে মানবিক দায়বদ্ধতা
JUSTICE ভুলে গিয়ে -মানুষের মধ্যে যে ভাবে কাজ করছে-  "দৃষ্টি আপনার
কিন্তু দৃষ্টি ভঙ্গি ঠিক করে মিডিয়া / শিক্ষা ", " কণ্ঠ আপনার , শব্দ আপনার বলার
প্রয়োজন বিষয় নির্বাচন করে মিডিয়া বা অন্য ভাবে কালেকটিভ লক্ষ্য  বা ডেসটিনি ঠিক করে।
তাই সতর্ক থাকতে হবে ডেভেলপমেন্ট হতেই পারে। ডেভেলপমেন্ট হাত ধরে আনে ট্রান্সফরমেশন।  সাধারণ মানুষ বুঝতেই পারেননা যে, তার ট্রান্সফরমেশন হয়ে যাচ্ছে। এই ট্রান্সফরমেশন সব সবই একটা কালেকটিভ মোশন।  আপনার এলাকায়  আপনি আপনার   পোশাকে ,খাদ্যাভ্যাসে , ডায়ালেক্টে  প্রান্তিক (সংখ্যালঘু ) হয়ে পড়বেন। আর আপনার এলাকাতেই আপনি আপনার বংশের আদি কেউ যে, জমি দান করেছিলেন তার উপরে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানের প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে স্বল্পমেধার (বংশীয়) কোনো  অধ্যাপক /অধ্যাপিকা , শিক্ষিকা / শিক্ষক শীলমোহর লাগাবেন -"Majority must be granted ." (Ideological Terrorism/ Conceptual Crime)
কখনও কখনও কোথাও কোথাও আপনার মনবলের বা আপনার শিশুর
মনবলের আধার যে, বিশ্বাস ভালোবাসা সেখানেও প্রতিষ্ঠান মজরা লাগানোর
কাজ করে চলেছে নিপুণ  ভাবে। ভালোবাসার প্রারম্ভিক পাঠ হওয়া উচিৎ নিজেকে ভালোবাসা দিয়ে। নিজেকে ভালোবাসার পাঠ নিজের নামের মাধ্যমেই হয়। ভালোবাসার প্রকাশ হতে পারে ভাষার ডায়ালেক্ট যে, ভাবে আপনি কথা বলেন,  আপনার খাদ্যাভ্যাস    আপনার পোশাক এর প্রতি শ্রদ্ধা থেকে ।  আপনার আপনার শিশুর নামের শব্দ পাঠ বানানে অরুচি বা ঐচ্ছিক ভুল একধরণের   সহজাত  প্রবণতা    সন্ত্রাস। বিষয় বস্তু এমন ভাবে বিন্যস্ত হচ্ছে যে আপনি আপনার কৃষ্টি কালচার কিছুই নেই। আপনার নামের প্রতি, শব্দের
প্রতি , পোশাকের প্রতি, বিশ্বাসের প্রতি, সম্পর্কের প্রতি আস্থা বিশ্বাস তো তৈরী হবেই না বরং ঘৃণার উপাদান প্রতক্ষ ভাবে না থাকলেও উদহারণ পরিচালনার দায়িত্বে যারা আছেন তারা তা যোগান দেবেন।  সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপনার আপনার শিশুর বিশ্বাসের আধার পীঠ প্রতিষ্ঠান অদভুত অমানবিক ভাবে    পাল্টে ফেলছে বা কখনও কখনও নির্দিষ্ট বিশ্বাসের প্রতিনিধিত্ব করছে।
(সংকুচিত সংক্ষেপিত)                                        14th Jan 2017